নকলায় নিখোঁজের ৩দিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত: ৪:৪৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০
372 Views

মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় নিখোঁজের ৩ দিন পর আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডোবা থেকে কহিনূর বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে নকলা থানার পুলিশ। নিহত কহিনূর উপজেলার টালকী ইউনিয়নের চরকামানীপাড় গ্রামের কৃষক মো. দুলু মিয়ার স্ত্রী। সে পাশ্ববর্তী এলাকা সাইলামপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের কন্যা ও ৪ সন্তানের জননী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার পর থেকে কহিনূর বেগম নিখোঁজ হন। পরে সম্ভাব্য জায়গায় তাকে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাওয়া যাচ্ছিলো না। বুধবার সকাল ১১টার দিকে কহিনূর বেগমের ছোট ছেলে সোহান মিয়া তাদের বাড়ির নিকটে চরকামানীপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা সংলগ্ন একটি ডোবায় তার মায়ের পড়নের কাপড়ের অংশ দেখে বাড়ীর লোকজনদের জানায়। পরে স্থানীয়রা কহিনূর বেগমের মরদেহ হতে পারে ভেবে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম, নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নকলা থানায় নিয়ে যান। এদিকে নিখোঁজ স্ত্রীর মরদেহের সন্ধান পাওয়ার সংবাদ পেয়ে স্বামী দুলু মিয়া (৫০) পলাতক রয়েছে।

এবিষয়ে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহ জানান, নিহতের ২ ছেলে সুজন (১৬) ও সোহান (১৪) কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ২৫ বছর আগে দুলু মিয়া ও কহিনূর বেগম পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিবাহের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছে। এদিকে যেহেতু নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে; এতে ধারনা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী কহিনূরকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে স্বামী দুলু পালিয়ে গেছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে সুস্পষ্ট ভাবে বলা যাবে বিষয়টি হত্যা, না কি অন্য কোন ঘটনা।