মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দ্যা নিউ স্টার ২৪.কম এর স্পেশাল পর্ব ধারা- ২৮।

প্রকাশিত: ১২:৫১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০
136 Views

বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন ছিল গণমানুষের সুখ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক গভীর মানবিক সংগ্রামী দর্শন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শন অনুযায়ী গণমানুষের মুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শেষ পর্যন্ত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, যেখানে সাংবিধানিকভাবেই ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ (সংবিধান অনুচ্ছেদ ৭)’। এ দর্শনের স্পষ্ট প্রতিফলন হলো তার স্বপ্ন- সোনার বাংলার স্বপ্ন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানের স্বপ্ন, শোষণ-বঞ্চনা- দুর্দশামুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস যতদিন থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অম্লান থাকবেন। পৃথিবীর ইতিহাসে, স্বাধীনতার ইতিহাসে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে বঙ্গবন্ধু নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। ভালোবাসার সঙ্গে। বাঙালি যতদিন বেঁচে থাকবে, বাংলা ভাষা পৃথিবীতে যতদিন উচ্চারিত হবে বঙ্গবন্ধুর নামও ততদিন ধ্বনিত হবে। রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠার পথ পরিক্রমায় আমার কাছে বারবার স্পষ্টতর হয় তিনি আমাদের অস্তিত্বের, চেতনার চিরসাথী তিনি শেখ মুজিব বলে, তিনি বঙ্গবন্ধু বলে, তিনি জাতির পিতা বলে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দেশবাসী যথার্থ ভূমিকা পালন করবেন, বঙ্গবন্ধুর মহান আদর্শে নবতর চেতনায় শানিত হয়ে জনগণের কল্যাণে সকলেই নিজেদের নিবেদন করবেন- এটিই আজকের দিনের প্রত্যাশা। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি, যুদ্ধ এখনো চলছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বুকে নিয়ে, শেখ হাসিনার হাত ধরে, আমরা লড়ে যাব মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত। একটা মহিরুহের মতো ছিলেন মানুষটি, ছায়া মেলে ছিলেন দুর্বলের আর দরিদ্রের মাথার ওপর। সেই ছায়া সরে যাওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাদের দুর্ভোগ আরও গভীর হয়েছে বৈষম্য বাড়ায়। সম্পদশালীদের অত্যাচার বাড়ায়। আজকের দিনে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানানোর একটা পথ হতে পারে দুর্বল আর দরিদ্রদের এই বন্ধুটিকে মনে রেখে তাদের পাশে দাঁড়ানো। Tns:Ai