নকলায় নিষিদ্ধ পলিথিন রাখার অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত: ১:০৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০২০
193 Views

মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন মজুদ রাখার অপরাধে নিয়ামত আলী নামে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ৯ নভেম্বর সোমবার বিকেলে নকলা পশ্চিম বাজারে পরিবেশ অধিদপ্তর  ও নকলা থানার পুলিশের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন মজুদ ও বিক্রির দায়ে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়া ওই দোকান থেকে বেশ কিছু পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান এ আদালতটি পরিচালনা করেন আদালতের নির্বাহী বিচারক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ। এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা, নকলা থানার বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট পেশকার রাশেদুল কিবরিয়াসহ স্থানীয় সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী বিচারক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ বলেন, মান্যবর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনার কলি মাহবুব স্যারের নির্দেশনা ও পরামর্শে এ অভিযান চালানো হয়। তিনি জানান, ভ্রাম্যমান আদালতে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ পলিথিন মজুদ ও বিক্রি করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬ (ক) (খ) ধারা লংঘন করার অপরাধে নকলা পৌর শহরের পশ্চিম বাজারের নিয়ামত আলী নামে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে, তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য দোকানীকে যে কোন নিষিদ্ধ পন্য বিক্রয়, মজুদ ও বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয়ে সাবধান হতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ। যেকোন ভেজালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও পুলিশ বিভাগ সদা তৎপর রয়েছে। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকি বা প্রাণ নাশের হুমকি এমন কোন নিষিদ্ধ পণ্য বাজারে বিক্রি হতে দেখলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বা কর্মকর্তাদের অবহিত করতে বলা হয়। কোথাও কোন প্রকার ভেজাল ও নিষিদ্ধ পণ্য বেচা-কেনা করতে দেখা গেলে বা প্রমান পাওয়া গেলে, তা কোন ক্রমেই বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি হুশিয়ারি দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ।