নকলার সেই বিথীকে উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা

প্রকাশিত: ১:০০ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০২০
0Shares

মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:

ফায়ারিং এ শ্রেষ্ঠ রিক্রুট হাসিনা আক্তার বিথীকে সংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নতুন সৈনিকদের ৯৫তম ব্যাচ রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণে (১৪ জুন থেকে ৫ ডিসেম্বর) ফায়ারিং-এ শ্রেষ্ঠ রিক্রুট হওয়ার গৌবর অর্জন করায় শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা হুজুরীকান্দা গ্রামের আনিসুর রহমানের মেয়ে হাসিনা আক্তার বিথীকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে সংক্ষিপ্ত পরিসরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সারোয়ার আলম তালুকদার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. ফরিদা ইয়াছমিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ, সারকারি হাজী জালমামুদ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আলতাব আলী, নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুকসহ অন্যান্য সহকারী শিক্ষকগন, বিথীর বাবা আনিসুর রহমান, মা মোছা. মনোয়ারা বেগম ও বড় ভাই আজিজুর রহমানসহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অভিভাবক ও স্থানীয় সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, হাসিনা আক্তার বিথী ৬ মাসের এ প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর বিজিবি সদস্য হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেছেন। সে বর্তমানে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নে (১৯ বিজিবি) কর্মরত। নকলার মেয়ে ২০ বছর বয়সী বিথী ২ হাজার ৫২৪ জন নারী-পুরুষ প্রশিক্ষণার্থীকে পেছনে ফেলে ৯৫তম ব্যাচ রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। হাসিনা আক্তার বিথী আবারও প্রমান করলেন, নারীরা আর পিছিয়ে নেই। জানা গেছে, বিথী ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি উজেলার হুজুরীকান্দা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পরিবারে বাবা-মাসহ এক ভাই ও এক বোন রয়েছেন। তিনি ২০১৭ সালে চরমধুয়া আদর্শ বিদ্যা নিকেতন থেকে এস.এস.সি পরীক্ষায় মানবিক শাখায় অংশ গ্রহন করে জিপিএ ৩.৯১ এবং চৌধুরী ছবরুননেছা মহিলা কলেজ থেকে ২০১৯ সালে এইচ.এস.সি (মানবিক) পরীক্ষায় জিপিএ-২.৭৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।