ভিপিএন ব্যবহার কি নিরাপদ?

প্রকাশিত: ৪:৪৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৯
0Shares

অনলাইনে সুরক্ষিত থাকতে অনেকেই ভাচুর্য়াল প্রাইভেট নেটওর্য়াক (ভিপিএন) ব্যবহার করেন। এটি ব্যবহারে সুফলের চেয়ে আপনার বিপদের সম্ভাবনা বেশি। বিভিন্ন কোম্পানি আপনার মূল্যবান তত্য পাচার কর দিতে পারে। দিন দিন ভিপিএন ব্যবহারে আপনার জন্য আসতে পারে বড় বিপদ।

সম্প্রতি টপ টেন ভিপিএন ডটকম ওয়েবসাটে প্রকাশিত এক রিভিই জানায়, গুগল প্লে স্টোরের ১৫০টি জনপ্রিয় অ্যাপ তাদের ২৫ শতাংশের বেশি গ্রাহকের তথ্য বিক্রি করে দিচ্ছে। এর মধ্যেমে ৮৫ শতাংশ গ্রাহক বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ফ্রি অ্যাপ থেকে এসব তথ্য বেশি পাচার হচ্ছে।

বেশিরভাগ ভিপিএন গ্রাহকের ডিএনএস তথ্য ফাঁস করেছে। এই তথ্য ব্যবহার করে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অথবা গোয়েন্দা বিভাগ যে কোন অনলাইন অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করতে পারে। ফলে ভিপিএন ব্যবহার করেন অনলাইনে সুরক্ষিত থাকছেন না গ্রাহক।

মোট ১৫০টি ফ্রি ভিপিএন এর মধ্যে এই গবেষণায় ৯৯টি ভিপিএন স্মার্টফোনে অপ্রয়োজনীয় অনুমতি চেয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি ভিপিএন ডিভাইস লোকেশান আর ৫৭টি ভিপিএন গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য চেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন আর টেক্টস মেসেজ পড়ার অনুমতি।

ভিপিএন ব্যবহারে সবচেয়ে বড় কার্যকরী উপকারিতা হল এটি আপনাকে যথেষ্ট পরিমাণ প্রাইভেসি দেবে। ওয়েবসাইটগুলো আপনার আসল আইপি এড্রেস দেখতে পাবে না। তারা শুধু ভিপিএন এর আইপি এড্রেস দেখতে পারবে। ফলে সার্চ ইঞ্জিন ও অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলো আপনার কাজগুলো ট্র্যাক করতে পারবে না। ভিপিএন ব্যবহারে একটু সচেতন হলেই আপনি এসব বিপদ এড়াতে পারেন। ভুলেও কোন বিনামূল্যে ডাউনলোড করা অ্যাপস ব্যবহার করবেন না। তাহলে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করেও সুরক্ষিত থাকতে পারবেন।