বন্যায় প্লাবিত প্রায় ৮০ বিদ্যালয়ের পাঠদান অনিশ্চয়তায়

প্রকাশিত: ৯:৩১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: নাগরপুর উপজেলায় বন্যার পানিতে পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে প্রায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে ধোয়াশা সৃষ্টি হয়েছে একই সাথে দুশ্চিন্তায় আছে হাজারো শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে যাওয়ার সড়ক ও মাঠ প্রাঙ্গন বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় ব্যাপক বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে বন্যা জনিত কারণে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির জন্য প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ ধুলোবালিতে ময়লার স্তুপ হয়ে আছে এবং দরজা-জানালা সহ অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরী হয়ে পড়েছে।

নাগরপুর কাঠুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, রোকেয়া আক্তার বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রেণীকক্ষ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। তবে বিদ্যালয়ের চারপাশে বন্যার পানি থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

ধুবড়িয়া ইউনিয়নের কান্দাপাচুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানায়, তিনি নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেন এবং বিদ্যালয় পরিষ্কার কাজ চলমান রয়েছে। তবে মাঠে বন্যার পানি থাকায় বিড়ম্বনা হচ্ছে।

ভূগোল হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুরাদ হোসেন আপন জানায়, আমরা এই বন্যায় কিভাবে স্কুলে যাবো চিন্তায় আছি। স্কুলে চারপাশে পানি থাকায় স্কুলে যাওয়ায় ব্যাপক অসুবিধা হবে।

নাগরপুর উপজেলা শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক, মোঃ হারুন অর রশীদ হারুন বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিষ্কার-পরিছন্ন কাজ শেষ করেছি। আশা করি বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাবে এবং সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লাস চলমান রাখা সম্ভব হবে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর উপজেলায় মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২১১ টি। বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে পুরো উপজেলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সহ মোট ৭৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যায় কবলিত রয়েছে।