চলতি মাসের ১৭ মে’র পর খুলতে পারে অধিকাংশ রাস্ট্রের লকডাউন !

প্রকাশিত: ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, মে ১২, ২০২০
0Shares

ফ্রান্সের দুই মাসের লকডাউন চলাকালীন যে সমস্ত ফ্রন্টলাইন যোদ্ধারা অবদান রেখেছিল, প্যারিসে আইফেল টাওয়ারে তাদের প্রতিকৃতি দেখিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সেই সঙ্গে দেশটিতে মৃত্যুহার কমে আসায়, সোমবার কিছু ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে দেশটিতে।News24

লকডাউন শিথিল করার কয়েকদিনের মধ্যেই জার্মানিতে ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। স্পেন ও ইতালিতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। করোনায় সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের।

দেড় মাসের মধ্যে করোনার সর্বনিম্ন সংক্রমণ ও মৃত্যু দেখলো যুক্তরাষ্ট্র। ৩০ মার্চের পর প্রথম, মার্কিন ভূখণ্ডে এক হাজারের কম প্রাণহানি ছিল রোববার। মারা যান সাড়ে ৭শ’ মানুষ। নতুন আক্রান্ত ২০ হাজারের বেশি। যা ২৯ মার্চের পর সর্বনিম্ন। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজারে। আক্রান্ত ১৩ লাখ ৬৮ হাজার।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের করোনা টেষ্ট পজিটিভ আসার পরও, কোয়ারেন্টাইনে না থেকে সোমবার হোয়াইট হাউজে উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর সর্বাধিক মৃত্যু দেখেছে লাতিন আমেরিকার দুই দেশ ব্রাজিল ও ইউকুয়েডর। করোনায় মৃত্যু ১১ হাজার ছড়ানোয়, ব্রাজিলে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খাদ্য সংকটে ভুগতে থাকা দেশটির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমায়।

কোভিড-১৯ বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে বাসিন্দাদের ঘরে থাকার যে নির্দেশনা ব্রিটিশ সরকার দিয়েছিল তা শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি কিছু মানুষকে তাদের কর্মস্থলে যোগ দেওয়ারও অনুমতি দিয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে জনগণকে সর্তক করতে অ্যালার্ট পদ্ধতি চালুর ঘোষণাও দিয়েছেন জনসন। সতর্কতা পদ্ধতিতে ১ থেকে ৫ পর্যন্ত মাত্রা নির্ধারণ করা থাকবে। আর এখানে ঝুঁকি কোন পর্যায়ে আছে, তা জনগণকে জানানো হবে। যুক্তরাজ্য বর্তমানে ৩ নম্বর ধাপে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশের মধ্যে চারটি বড় দেশের মধ্যে সফলভাবে কোভিড-১৯র মোকাবিলা করছে শ্রীলঙ্কার, ভারতের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। মৃত্যুহার ২হাজার ছাড়িয়েছে।

(১৭ মে) পর লকডাউন শিথিলতা নিয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন মোদি। ভারতের পরের খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে পাকিস্তান। এরমধ্যে বিশ্বের কয়েকটি দেশ লকডাউন শিথিলের ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, লকডাউন বিধি শিথিল হলে করোনার দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ আসতে পারে।