সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌ-রুটে ভীড় জমাচ্ছে ঘরমূখী মানুষ

প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২০
0Shares

 নিউজ ডেস্ক: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথের উভয় ঘাটে সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার ঘরমূখী মানুষের ঢল নেমেছে। এই নৌপথ দিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকামূখী মানুষের স্রোত ছিল। তবে যাত্রী চলাচলের ক্ষেত্রে ছিলনা কোন বিধি নিষেধ। এছাড়া সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে দেখা যায়নি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। তবে মাঝে মধ্যে টহল দিতে দেখাগেছে সেনাবাহিনীকে। আমাদেরসময়.কম

শনিবারের সরেজমিনে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গমূখী হাজারো মানুষ গাদাগাদি করে ফেরিতে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ফেরি থেকে নামছে গন-পরিবহন বন্ধ থাকালেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজার হাজার ঘরমূখী মানুষ মাইক্রো-প্রাইভেটকার, এ্যাম্বুলেন্সে করে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঢাকা থেকে পাটুরিয়া ঘাটে এসে নদী পার হয়ে দৌলতদিয়া থেকে আবারও ব্যাটারি চালিত অটোবাইক, মোটরসাইকেল ও মাহেন্দ্রযোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ বাড়ি ফিরছে। করোনা দুর্যোগ কালে গৃহে ফেরা মানুষগুলো সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।

ঢাকা সাভার থেকে আগত মাগুরা গামী যাত্রী গার্মেন্টসকর্মী রেহেনা আক্তার জানান, গত কয়েকদিন আগে কারখানা থেকে ফোন করে জানান যে কাজে যোগ না দিলে বেতন-বোনাস কিছুই দিবনা পাশাপাশি চাকরিও থাকবেনা তাই বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজে যোগ দেই। ঈদের জন্য আবার কারখানা জন্য বন্ধ হয়ে গেছে তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি, পরিবারের সাথে ঈদ করার জন্য।

বিআইডব্লিটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমিত আকারে ২টি রোরো(বড়) ও ৪টি ইউটিলিটি(ছোট)সহ মোট ৬ টি ফেরি দিয়ে সীমিত আকারে শুধুমাত্র এ্যাম্বুলেন্স ও জরুরী পন্যবাহি যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ফেরি সচল থাকায় ও ঘরমূখী মানুষের বাড়তি চাপ থাকায় যাত্রী পারাপার হচ্ছে। যানবাহনের চাপ বেশি থাকলে ফেরির সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়া হয়।