মিটার না দেখেই দ্বিগুন বাড়িয়ে বানাচ্ছে বিদ্যুৎবিল

প্রকাশিত: ১:১৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২০
0Shares

অনলাইন ডেক্স:গোটা দেশ মহামারী করোনার থাবায় থমকে গিয়েছে,যেখানে প্রতিটি নাগরিকের রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, কোনভাবে খেয়ে না খেয়ে অনির্দিষ্ট কালের সাথে যখন যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। তখন চলমান পরিস্থিতিকে বিবেচনা করে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ঋণ নেয়া গ্রাহকদের ৬ মাসের কিস্তি স্থগিত করেছেন। সেখানে পল্লী বিদ্যুৎ কি ৬ মাসের বিল মওকুফ করে আত্মমানবতার পাশ্বে দাঁড়াতে পারেনা।

সলে পল্লী বিদ্যুৎ তুমি কার যেখানে সরকার জনগনের পাশ্বে থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ এ মুহুর্তে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অনুমান ভিত্তিক ইচ্ছামত অংক বসিয়ে একসাথে ডবল বিল বানিয়ে বিলের কাগজ গ্রাহকদের ধরিয়ে দিচ্ছেন। যা এ মুহুর্তে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর কর্মহীন পরিবারগুলোর ঘাড় মটকানোর মতো বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একাধিক শ্রমজীবি মানুষ অভিযোগ করেছেন, আগের চেয়ে বর্তমানে দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিল করা হয়েছে। যে ঘটনায় মীরসরাই উপজেলার অধিকাংশ গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার পাশ্বে ১২নংখৈয়াছরা ইউনিয়নের ০৩ ওয়াডের ইউনুছ আহম্মেদ ও ফজলুল হক( দিদার হুজুর) পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়ার পর উপস্হিত অফিস কর্মকর্তা গত মাসের বিলসহ নেয়া হলে তখন তাদেরকে অফিস থেকে বলা হয় করোনা ভাইরাসের কারণে মিটারের কাছে না গিয়ে দূর থেকে রিড়িং নেয়ার কারনে ভুল হতে পারে।

এবং তাদেরকে বলা হয়েছে আপনারা বিলের রিড়িংটা নিয়ে আসলে ঠিক করে দেয়া হবে। কিন্তু আসল বিষয়টা সেটা নয় সত্যিকার বিষয় হচ্ছে যিনি মিটার রিড়িং নেন সে ব্যক্তি ডোর টু ডোর না গিয়ে ঘরে বসে বিল করাতে এ ধরনের ভুতড়ে বিলের সৃষ্টি গত দু মাসের সাথে কোন রকমের সামঞ্জস্য নাই গ্রামের সাধারণ মানুষকে এ ভাবে ধোঁকা দেয়ার কোন মানে থাকতে পারেনা।

যোগাযোগ করলে অফিস থেকে তাদেরকে বলেন, “বর্তমান বিদ্যুৎ বিল কাগজে আমার ঘরের বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ করা হয়েছে।বর্তমানে কামাই রোজগার না থাকায় এখন আমি কি দিয়ে এ বিল পরিশোধ করবো জানিনা”।উত্তর আমবাডিয়া এবং মীরসরাইয়ের প্রায় অঞ্চলে একই অবস্হা। অফিস, বাড়ীঘর সব জাগায় একই অবস্হা। তারা বলেন, “চলমান মাসে আমার আবাসিক বাড়ির বিদ্যুৎ বিল রিডিং না দেখে অতিরিক্ত চারশত টাকা ধরা হয়েছে, যা অন্য মাসের তুলনায় দ্বিগুণ।

পৌর সভার ০৪ নং ওয়াডের ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন বলেন, এখন লকডাউনে আমার দোকান বন্দ্ব থাকার পরও ৯০০ টাকার মতো বিল এসেছে দোকান খোলা থাকা অবস্হায় সে বিল আসতো ১২০০ টাকা এখন আমরা কর্মহীন। “অনুমান ভিত্তিক আমার বাসা-বাড়ির বিল অন্য মাসের তুলনায় দ্বিগুণ ধরা হয়েছে। যা চরম অনিয়মের শামিল।” এভাবে হাজার হাজার গ্রাহকের অভিযোগ। প্রশাসনের আশু দৃষ্টি কামনা করছি।

সূত্র: homenews24