বাউফলে বিদ্যালয়ের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ

প্রকাশিত: ৭:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০
0Shares

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে টিনসেট ঘর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে মানিক হাওলাদার নামে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই ব্যক্তিকে ঘর নির্মানে নিষেধ করলেও তিনি রাতের অন্ধাকারে ঘর নির্মাণের কাজ শেষ করেছেন।

সরজমিনে দেখা গেছে,বিদ্যালয়ের মূল ভবনের দক্ষিন পাশের প্রায় কুড়ি ফুট দৈর্ঘ প্রস্থ জায়গা নিয়ে টিনসেট ঘর নির্মাণ করেছে মানিক হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় তিন মাস আগে বিদ্যালয়ের জায়গায় ঘর নিমার্ণের জন্য মানিক হাওলাদার খুটি পোতা শুরু করে। ওই সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে ঘর নির্মাণে বাাঁধা দেয়।

দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডীয় জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য উক্ত দখলকারী মানিক হাওলাদারকে বলেন। কিন্তু আবু মানিক হাওলাদার গায়ের জোরে বিদ্যালয়ের জমি জবর দখলে রেখে ভোগদখল করছে।

এরপর কিছু দিন বাদে গত ৮ জুন সোমবার রাতের অন্ধকারে টিনসেট পূর্নাঙ্গ একটি ভবন নির্মাাণ করেন মানিক হাওলাদার।
এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ মানিক হাওলাদারকে তার ঘরটি সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে এ বিষয়টি স্থানীয় সাংসদ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ আসম ফিরোজ (এমপি) জানতে পেরে ওই ব্যক্তিকে ঘর সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু তারপরেও মানিক হাওলাদার ঘর সরিয়ে নিয়ে যাননি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মানিক হাওলাদার অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠে আমি জায়গা পাব। আমার জায়গায় আমি ঘর নির্মাণ করেছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য বলেন, মানিক হাওলাদার গং বিদ্যালয়ের কাছে ৫কড়া (স্থানীয় মাপ) জমি পাওনা ছিল। ৪কড়া জমি তাদেরকে অন্যস্থান দিয়ে দেওয়া হয়েছে বাকী এক কড়া জমি কওলা করা হয়েছে।

বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ বলেন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি রেজুলেশন করে যদি অভিযুক্ত মানিক হাওলাদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন, তাহলে সে অনুযায়ী।