বেস্ততায় সময় পার করছেন নরসিংদীর লকটন চাষীরা

প্রকাশিত: ৩:৩১ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২০
0Shares

অনলাইন ডেক্স: নরসিংদীতে বর্তমানে জেলার শিবপুর ও বেলাবো উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে লকটন চাষীরা লকটন উৎপাদনের কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

জেলার এসব গ্রামের শত শত হেক্টর জমিতে বানিজ্যিক ভাবে চাষ করা হচ্ছে এ ফল। মৌসুমী এ ফল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেকেনরসিংদীর সুস্বাদু রসালো এ ফল দেশের চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য দেশেও রপ্তানি করা হয় । প্রতি বছরই লকটন চাষে আগ্রহ বাড়ছে জেলার কৃষকসহ বেকার যুবকদের।

জেলার শিবপুর, বেলাবো, রায়পুরা উপজেলায় লাল রঙের উঁচু মাটিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এসব গ্রাম গুলো লকটন চাষের জন্য উপযোগী।

বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদন ছাড়াও বসত বাড়ির আঙ্গিনায় অনেকেই লকটন চাষ করছেন। এসব লকটন চাষীরা জেলার বৃহৎতম শিবপুর ও মরজাল বাজারে বিক্রি করে থাকেন। বাজার দুটো থেকে অন্যান্য জেলার ব্যবসাহীরা লকটন কিনে থাকেন।
শিবপুর উপজেলার মাধবদী গ্রামের লকটন চাষী শিক্ষিত যুবক নাজমুল হাসান বিডি ইউনিয়ন নিউজ ডটকমকে জানান ,লটকন মন প্রতি প্রায় ১০০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।তবে একবারে ভাল ফলটা আরো বেশি দামে বিক্রি করা যায়।

সাধারনত একটা লটকন গাছ পূর্ণ বয়স্ক হয় ১২-১৫ বছর বয়সে। তখন একটা গাছে প্রায় ৩-৫ মন লটকন হয়। তাছাড়া এটি ছায়াযুক্ত স্থানে বেশি হয় বিধায় অনেক পতিত জমিতে এগুলো বেশ ভাল উৎপাদিত হয়।যে কেউ এটি খুব সহজেই বাগানে রুপান্তর করতে পারে। তিনি নিজেই একজন সফল ব্যবসায়ী। আজ থেকে প্রায় ছয় বছর পূর্বে তিনি নিজেই লকটনের বীজ বপন করে লকটনের চাড়া উৎপাদন করেন। তার লকটনের বাগান থেকে অনেকেই লকটন গাছ কিনে থাকেন। লকটন গাছ উৎপাদন ও বাগান করে আজ তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন। বর্তমানে তার বাগানের প্রতিটি লকটন গাছ থেকে ৩০ থেকে ৪০ কেজি লকটন পাওয়া যায়।