নকলায় নন এমপিও ৭০ শিক্ষক-কর্মচারী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

প্রকাশিত: ৯:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০
0Shares
মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের নকলা উপজেলার নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের নন এমপিও ৭০ শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ তহবিল হতে বরাদ্দকৃত অনুদানের ৩ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান। এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নন এমপিও ৫৬ শিক্ষকের মাঝে ৫ হাজার টাকা করে এবং ১৪ জন কর্মচারীর মাঝে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।
অনুদান সুবিধা ভোগীদের মধ্যে অনেকে খুশি হয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ বরাদ্দের এ অনুদানকে আমরা অনুদান হিসেবে নয়, উপহার হিসেবে মনে করছি। এ উপহার হাতে পেয়ে তারা বেজায় খুশি।  তবে নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত এমপিও ভুক্ত করার অনুরোধ করেন তারা। তারা বলেন আমাদের অনেকের কর্মস্থল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো এমপিও ভুক্ত হলেও উপজেলার বাদপরা অনেক যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলোকে এমপিও ভুক্ত করার দাবি জানান তারা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান বলেন, করোনা কালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় সকল স্তরের কর্মজীবীদের মাঝে বিতরণের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে নন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। আজ সোমবার নকলার শিক্ষক কর্মচারীদের মাঝে এ অনুদানের টাকা বিতরণ করা হলো। এ অর্থকে টাকার বিবেচনায় নয় বরং প্রধান মন্ত্রীর উপহার হিসেবে আখ্যা দেন তিনি। তিনি বলেন প্রধান মন্ত্রীর উপহার হাতে পেলে যেকেউ আনন্দিত হবেন এটাই স্বাভাবিক। তদ্রুপ করোনা কালীন সময়ে নকলা উপজেলার অন্তত ৭০ জন শিক্ষক-কর্মচারী প্রধান  উপহার হাতে পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন। এতে প্রধান মন্ত্রীর প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীদের ভালোবাসা আরও বেড়েছে বলে তিনি মনে করেছেন। এমনকি শিক্ষক-কর্মচারীদের কাজের গতি বাড়বে বলেও তিনি বিশ্বাস করেন।