শেরপুরের নকলায় প্রধান মন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেতে সীম কার্ড কিনার হিড়িক

প্রকাশিত: ১১:০৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০
0Shares

মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের নকলায় প্রধান মন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিষয়ক কর্মসূচীর আওতায় প্রদেয় ২,৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য তালিকাভুক্তদের মধ্যে যে বা যারা এখনও টাকা পায়নি তাদের টাকা পেতে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিজ নামে সীম কার্ড রেজিষ্ট্রেশন করতে বা নতুন কিনতে হিড়িক পড়েগেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরের দিকে নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌর সভার প্রতিটি এলাকার বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণীর নারী পুরুষের লম্বা লাইন লেগে আছে। ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের পাশে নকলা পৌর শহরের মামুন মোবাইল কেয়ার নামীয় এক দোকানের কর্তৃপক্ষ নিজে ও দোকানের কর্মচারীরা নকলা পৌরসভার সব কয়টি এলাকার তালিকাভুক্ত সুবিধা ভোগীদের মাঝে টেলিটক, গ্রামীন, এয়ারটেল ও বাংলা লিংকসহ বিভিন্ন কোম্পানীর সীম কার্ড বিক্রি ও রেজিষ্ট্রেশন করে দিচ্ছেন। তাছাড়া কোভিট-১৯ সংক্রমণ রোধে উপস্থিতিদের স্বাস্থ্য বিধি মানাতে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় নিশ্চিত করতে বিডি কিন নকলা’র স্বেচ্ছাসেবকরা দিনব্যাপী কাজ করেছেন।

জানা গেছে, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন কোম্পানীর সীম কার্ড নিজ নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে তাদের নিজের নামে রেজিষ্ট্রেশন করে নিচ্ছেন। তাছাড়া যারা নতুন সীম কার্ড কিনছেন তাদেরকেও যথাযথ নিয়ম মেনে সীম কার্ড রেজিষ্ট্রেশন করে তারপরে গ্রাহকদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে গ্রামীন, বাংলা লিংক ও এয়ারটেল সীম সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি সীমের দাম গ্রামীন ১০০ টাকা, বাংলা লিংক ৮০ টাকা এবং এয়ারটেল ৭০ টাকা দরে বেচা-কেনা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান মহোদয় কর্তৃক পরিচালিত “নকলা উপজেলা প্রশাসন, শেরপুর” নামীয় টাইম লাইনে প্রধান মন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেতে আবেদন কারীর নিজের এনআইডি দিয়ে সীম কার্ড রেজিস্ট্রেশন বা নতুন সীম কার্ড কিনার পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাপ্ত ত্রুটিযুক্ত উপকার ভোগীর তালিকা (ত্রুটির ধরণের বিবরণসহ) এরই মধ্যে ইউনিয়ন ও পৌর কমিটির নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন ও পৌর কমিটির কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এর অংশ হিসেবে আজ সোমবার নকলা পৌরসভার  মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন’র নির্দেশে পৌর এলাকার সুবধাভোগীদের জন্য এ কার্যক্রম শুরু হয়।