মোবাইল মেকার থেকে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগ সভাপতি এস এ শামীম আঙুল ফুলে কলা গাছ

প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০২০
0Shares
নিজস্ব প্রতিবেদক,আশুলিয়া: আশুলিয়ায় মোবাইলের মেকার থেকে থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়া সামিউল আলম শামীম এখন কোটি টাকার মালিক। কমিটিতে পদ বাণিজ্য, জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল অর্থ বিত্তের মালিক বনে গেছেন তিনি। প্রতি বছর সে বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করে থাকেন। বর্তমানে তার সাভার সেনা শপিং কমপ্লেক্সে একাধিক দোকান, বিভিন্ন স্থানে দখল করা বেশ কয়েটি প্লট রয়েছে। এছাড়া এলাকায় বাড়ি করতে হলে কিংবা যে কোন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেকে চাঁদা দিতে হয় শামিমকে।

মোবাইল ম্যাকার থেকে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগ সভাপতি, অতঃপর অঢেল সম্পদের মালিক সামিউল আলম শামীম ( ছবি: সংগৃহীত)

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০০ সালে নবীনগর এলাকায় পকেটমার ম্যান ম্যান রুবেল, সেলিম, রিয়াজ, মমিনের নিয়ন্ত্রণ করতেন । পরে ২০০৩ সালে পকেটমার ম্যান ম্যান এর মধ্যে কুরগাঁও স্বপ্নের নীর গলীর রওশান সাহেব এর পাঁচ তলা ভবনের সামনে সিডি ক্যাসেট দোকান দেয়। ২০০৮ সালের নবীনগরে ডিস মানিক দোকান ভাড়া নিয়ে মোবাইল সাভির্সের দোকান দেয়। ২০১১ সালে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হওয়ার পর থেকেই ফুটপাত চাঁদাবাজি, স্ট্যান্ড চাঁদাবাজি, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, ভূমি দখলসহ নানা অপকর্মে সাথে জড়িয়ে পড়ে। নবীনগর, কুরগাও এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

২০১৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বেসরকারি টেলিভিশন (মাই টিভির) সাংবাদিকসহ দুজনকে মারধরের ঘটনায় আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শামিমকে আটক করে পুলিশ। এঘটনায় ছাত্রলীগ সভাপতি শামিমকে বহিস্কার দাবি করা ভুক্তভোগী সাংবাদিক ওয়াহিদ বলেন, ছাত্রলীগ সভাপতি শামিমের বিরুদ্ধে জায়গা দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পেয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে গেলে তিনি কোনো কথা না শুনে হকিস্টিক ও রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে আমি এবং আওয়ামী প্রজন্মলীগ নেতা ওবায়দুল ইসলাম সহ গুরুতর আহত হই। পরে পুলিশ আমাদের উদ্ধার এবং শামিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

সম্প্রতি সে ইয়ারপুর ইউনিয়নে শিলা নামে এক মেয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। গত ১৪ ই ফেব্রুয়ায়ী সাভার সেনানিবাসের তত্বাবধানে পরিচালিত সাভার গল্ফ ক্লাবে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা খরচ করে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

এব্যারে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক আহব্বয়ক ও আশুলিয়া থানা যুবলীগ যুগ্ম- আহ্বায়ক মো মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, এস এ শামীম ২০১১ সালে আমাদের সাথে আশুলিয়া থানা ছাত্র করেছে, সেই সময় তার নবীনগরে মোবাইল সার্ভিসের দোকান ছিল।
অভিযোগের ব্যাপারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি শামীমের বিয়ে বিষয় টা আমাদের কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে জানিয়েছি তারা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে।

এব্যাপারে আশুলিয়া থানা ছাত্র লীগের সভাপতি এস এ শামীম বলেন, আমার মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানে ছিল সত্য। কিন্তু আমি কোথাও চাঁদাবাজির করিনি। আমি ২০১৪ সালের সভাপতি হওয়ার আগে থেকেই বিদেশ ভ্রমন করছি, বলতে পারেন এটা বিদেশ ভ্রমন আমার নেশা। বিয়ের বিষয় স্বীকার করে বলেন, আমি গত ১৪ ই ফেব্রুয়ারি সাভার গল্ফ ক্লাবে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা খরচ করে বিয়ের অনুষ্ঠান করছি।

(প্রথম পর্ব)

সূত্র: ponchomalo24.com

          ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে লিংকে প্রবেশ করুন

http://www.shironambd.news/%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/?fbclid=IwAR2G9lrfWvI3BvBhBXci6ozssPvSK71-z42T4a5jQILRdIsJUqtrRDKHwgQ