বাউফলে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত: ৯:১৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০
0Shares

এম.নাজিম উদ্দিন,পটুয়াখালী :
পটুয়াখালী বাউফলে দুটি ইউনিয়ন ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে আসবাবা পত্র মেরামত ও রং না করেই বরাদ্ধের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়ন ও ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চেয়ার টেবিলে রং ও মেরামতের জন্য উপজেলা প:প: কার্যালয় ২০হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়। কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে ওই বরাদ্ধের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায় দুটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র ভিন্ন। রং আর মেরামতের ছোঁয়া লাগেনি কোন আসবাবপত্রে। কাজ না করেই বিল উত্তোলন করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান/ মিস্ত্রি ওই রং ও মেরামতের কাজ করে এমন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাউফলের স্মার্ট ফার্নিচার মাট ও ফরহাদ ফার্নিচার মাট নামের ওই দুটি প্রতিষ্ঠান রং ও মেরামত বাবদ ২০ হাজার টাকার বিল উত্তোলন করেন। তবে এই নামে বাউফল উপজেলার কোন ফার্নিচারের দোকানের অস্থিত্ব মেলেনি। প্রতিবেদকের হাতে আসা ক্যাশ ম্যাম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নকল ওই ম্যামতে একই ব্যক্তির হাতের লেখায় দুইটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিল বুঝে পাওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প: প: কর্মকর্তা জাকির হোসেন নিজেই ওই বিলের টাকা আত্মাৎ করেন। আর এ জালিয়াতির কাজে সহযোগীতা করেন ফিরোজ খাঁন নামের এক অফিস সহকারি।
কাজ না করে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: জাকির হোসেন বলেন,‘ অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে গেছে। তবে টাকা মিসইউস হয়নি।
এসময় তিনি তাকে বাউফলের সন্তান দাবী করে বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ করেন।
এ ব্যপারে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।