শেরপুরের নকলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস জরিমানা আদায়

প্রকাশিত: ৫:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০
0Shares

মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরের নকলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে ৬০০ মিটার মাছ ধরার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করার পরে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করাসহ মেসার্স আজাহার এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী আজাহারুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) নকলা মধ্যবাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা তারিনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০-এর ৪ক ধারায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে প্রথমে এসব জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুলতানা লায়লা তাসনীম, উপজেলা মৎস্য অফিসে কর্মরত ক্ষেত্র সহকারী হাফিজ উদ্দিন, রাকিবুল ইসলাম সিহাব ও সুমনা আক্তার রীমা; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

পুড়িয়ে বিনষ্ট করা জব্দকৃত কারেন্ট জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা হবে বলে জানিয়েছেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুলতানা লায়লা তাসনীম। শনিবার ৬০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করার পরে, নকলা বাজারের জাল ও সুতা-দড়ির বিভিন্ন দোকানদারদের মৎস্য বিষয়ক সকল আইন মেনে চলার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা তারিন জানান, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণে ভ্রাম্যমান আদালতের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুলতানা লায়লা তাসনীম বলেন- মৎস্য সম্পদকে সমৃদ্ধি করার লক্ষে উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ও সরকারি পুকুরে এরই মধ্যে দেশীয় জাতের বিভিন্ন মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। এমতাবস্থায় অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ নিধন করলে বা মাছ ধরার অবৈধ কারেন্ট জাল সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রি করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।