বাউফলে ব্রীজ নির্মাণে চলছে জোড়া-তালি

প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০২০
0Shares

এম.নাজিম উদ্দিন,পটুয়াখালী:
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরের আলগী নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণের কাজ চলছে জোড়া-তালি দিয়ে। নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উপরে। প্রশ্ন উঠেছে ব্রীজের স্থায়িত্ব নিয়ে। শঙ্কা তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা-নাজিরপুর ইউনিয়ন সড়কে বৃহৎ ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ভিআইপি সড়কের উত্তর প্রান্তে আলগী নদীর উপর (এমপি ব্রীজ) ৩২মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭মিটার প্রস্থের পিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ২কোটি ৮৭ লাখ। মেসার্স কাশেম কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ করছে। গত ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে নিদিষ্ট সময়েও শেষ হয়নি ব্রীজের নির্মাণ কাজ।
আজ সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রীজ ফুটপাত (হুইর গেট) নির্মাণ কাজ চলাকালেই ধসে পড়েছে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে লোহার এঙ্গেলের জোড়া-তালি দিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদারের নিয়োগকৃত শ্রমিকেরা। নজর এড়াতে প্লাস্টিকের চট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে ধসে পড়ার স্থান।
ব্রীজ নির্মাণের ব্যয়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম এমনকি ব্রীজের দৈর্ঘ্য প্রস্থও জানে না নির্মাণ কাজ তদারকি কর্মকর্তা ও উপসহকারি প্রকৌশলী এস.এম সাইদুর রহমান সবুজ। ব্রীজের ফুটপাতের ধসের বিষয়ও কিছু জানেন না তিনি।
অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি ধামা চাপা দিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে রফাদফা করেন তদারকি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সবুজ।
ঠিকাদার মো. জামাল বলেন,‘ ঢালাই কাজের সময় আমি ছিলাম না। তাই কিছু বলতে পারছি না।
এবিষয়ে জানতে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. সুলতান আহম্মেদের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেন নি।