বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যৎ

প্রকাশিত: ৬:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
0Shares

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আবরর ফাহাদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর শিক্ষাঙ্গনে ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিভাবক, শিক্ষক, চিন্তাবিদ, সুশীল সমাজ, সাধারণ মানুষ এমনকি সাধারণ শিক্ষার্থীরা দলীয় ছাত্র রাজনীতির বর্তমান যে ধারা চলছে, তার অবসান চেয়ে এর বিকল্প হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ছাত্র রাজনীতির ওপর জোর দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এদেশের ছাত্র রাজনীতির রয়েছে এক গৌরবময় ঐতিহ্য এবং এর ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখার জন্য শিক্ষাঙ্গনে দলীয় ছাত্র রাজনীতির পরিবর্তে ছাত্র সংসদ সমূহকে শক্তিশালী করতে হবে যাতে দেশে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কোন শূন্যতার সৃষ্টি না হয়। তাঁদের মতে, ছাত্র রাজনীতি আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পরিবর্তে যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের ছাত্র সংগঠনের নেতারা চাঁদাবাজি, টেণ্ডারবাজি, শিক্ষাঙ্গনে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন নির্যাতন চালিয়ে তাঁদের বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করছে। শিক্ষাঙ্গনে এ পরিস্থিতি অব্যাহত ভাবে চলতে পারে না বলে উল্লেখ করে বিশ্লেষকরা বলেছেন, এমনটা চলতে থাকলে দেশ ও জাতি শীঘ্রই মেধা শূন্য হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে ভয়েস অব আমেরিকার সাথে কথা বলেছেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শিক্ষাঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতির অবসানকল্পে ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে সকল রাজনৈতিক দলের ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া জরুরি, যাতে ছাত্র রাজনীতি বর্তমান ধারার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শিক রাজনীতির অতীত ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে পুনর্বাসিত হয়।