যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের রয়েছে ক্রীড়াঙ্গনে বর্ণাঢ্য পদচারণা

প্রকাশিত: ১১:৩১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২০
0Shares

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদ আহসান রাসেল আরও বলেন, ‘বাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং শোষণ, বঞ্চনা ও নির্যাতনমুক্ত করার জন্য যিনি ‘রাজনীতি’ বেছে নিয়েছিলেন সেই মহৎ মানুষটির পরিবার বাংলাদেশের একটি বৃহৎ ‘ক্রীড়া-পরিবার’।’ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিস্মিত হওয়ারই বিষয় যে, এক পরিবারে এতজন ক্রীড়াবিদ-ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতার আগে ও স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য।’ মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানও ছিলেন একজন সুপরিচিত ফুটবলার। বঙ্গবন্ধু নিজেও ছিলেন কৃতী ফুটবলার। হকি ও ভলিবলও খেলেছেন। ক্রীড়া-উন্নয়নে ছিল তাঁর বিশেষ নজর। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল এ আঙিনায় যেন পিতাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। শেখ জামালও ছিলেন ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড়। শেখ কামালের সহধর্মিণী মেধাবী ক্রীড়াবিদ সুলতানা কামালের নাম যেন ক্রীড়াঙ্গনের সবুজ মাঠের প্রতিটি ঘাসের সঙ্গে মিশে রয়েছে। তাঁরা সবাই আজ ফ্রেমবন্দি। কিন্তু জীবনের বাঁকে বাঁকে তাঁরা এ দেশের ক্রীড়াঙ্গন করেছেন সমৃদ্ধ।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক উল্লেখ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াবিদ না হয়েও ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আপনজন, অভিভাবক। তাঁর রাষ্ট্র পরিচালনাকালেই বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলো এসেছে। জাতির পিতার ছোট মেয়ে শেখ রেহানারও ক্রীড়ার প্রতি রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল এবং রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিকেও স্টেডিয়ামে মাঝে মধ্যে দেখা যায়।’ স্বাধীনতার পর ক্রীড়ার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে রেখেছিলেন অনন্য ভূমিকা। যে কারণে ক্রীড়াবিশ্বে বাংলাদেশ আজ আপন দ্যুতিতে ভাস্বর।’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপ্রেরণায় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল গঠিত হয়েছিল উল্লেখ করে মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘তাঁর ইচ্ছায় ১৯৭২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। যে ম্যাচের উদ্বোধন তিনি করেছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালেই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গঠন করেছিলেন। ১৯৭৪ সালে জাতীয় সংসদে পাস করেন বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল অ্যাক্ট। বিকেএসপিও তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন। দুস্থ ক্রীড়াবিদদের জন্য গঠন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন।’ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি। একদিন সব খেলাতেই বিশ্বসেরা হবো। আর এর মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। tns:Ai