শেরপুরের নকলায় ইউএনওর সরকারি বাসভবনসহ প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে

প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০
0Shares
মো. মোশারফ হোসাইন, শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর সরকারি বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবন গুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার কাজে আপাতত ৪ জন সশস্ত্র আনসার-ভিডিপি সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে বলে সরেজমিনে দেখা গেছে।
জানা গেছে, দিনাজপুর জেলার ঘোরাঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর দুর্বৃত্তদের বর্বর হামলার ঘটনায় সারাদেশ ব্যাপী সকল ইউএনওর বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
শনিবার দুপুরের দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নকলা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ইউএনও জাহিদুর রহমানের সরকারি বাসভবনের প্রধান ফটকে রাইফেল নিয়ে প্রশিক্ষিত ২ আনসার-ভিডিপি সদস্য পাহারারত তৎপর রয়েছেন। দায়িত্বরত আনসার-ভিডিপি সদস্যরা হলেন, এপিসি মো. মেহেদী হাসান ও মো. মিলন মিয়া।
এসিপি মেহেদী হাসান বলেন, যাচাই বাছাই শেষে আমাদের ৪ জনকে উপজেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয় হতে নকলার ইউএনও স্যারের সরকারি বাসভবনে নিরাপত্তা দানের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা আনসার-ভিডিপি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাজাহান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তর ও জেলা অ্যাডজুট্যান্টের দপ্তর থেকে মুঠোফোনে পাঠানো জরুরি এক বার্তায় ইউএনও স্যারের সরকারি বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। ৭০ দিনের অস্ত্র চালানো প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত স্মার্টকার্ডধারীদের মধ্য থেকে যাচাই বাছাই করে জরুরি ভিত্তিতে আপাতত ৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, দায়িত্ব প্রাপ্ত আনসার-ভিডিপি সদস্যদের কাছে শর্ট গান (রাইফেল) ও ২০ রাউন্ড গুলি দেওয়া হয়েছে৷ ৪ সদস্যকে শুক্রবার দুপুর থেকে সশস্ত্র অবস্থায় ইউএনওর বাসভবনে নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে। আগামী রোববার আরও ছয়জনকে নিয়োগ করা হবে বলেও জানান উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শাজাহান।
নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমান জানান, আনসার-ভিডিপি কার্যালয় থেকে চারজন আনসার-ভিডিপি সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিয়োগ প্রাপ্তরা আমার সরকারি বাসভবন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনের নিরাপত্তায় সশস্ত্র অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন।