মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দ্যা নিউ স্টার ২৪.কম এর স্পেশাল পর্ব ধারা-১১।

প্রকাশিত: ২:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০
0Shares

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের’ (বিএনসিইউ) ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভাষণটির স্বীকৃতি মেলে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ৭ই মার্চের ভাষণের বৈশ্বিক স্বীকৃতি আদায়ের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত ফাইলের সারসংক্ষেপে প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেন ওই বছরের ৩০ মার্চ। এরপর শুরু হয় পরবর্তী কার্যক্রম। এসময় ইউনেস্কোর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনার ও কর্মশালায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব, মর্মার্থ ও তাৎপর্য তুলে ধরা হতে থাকে। এর অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজিত এক কর্মশালায় ভাষণটির ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন বিএনসিইউয়ের তৎকালীন প্রোগ্রাম অফিসার ও শিক্ষাবিদ রোকেয়া খাতুন।  ‘সেকেন্ড রিজিওনাল ট্রেনিং ওয়ার্কশপ অন দ্য ইউনেস্কো, মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ডের’ বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে ওই কর্মশালায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি। একটি জাদুকরী ভাষণ কীভাবে একটি দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে পারে ওই প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়। বঙ্গবন্ধুর অবিস্মরণীয় ভাষণের ওপর তৈরি প্রেজেনটেশনটি ব্যাপক প্রশংসা পায়। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল প্যারিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম ইউনেস্কোতে ভাষণটির বৈশ্বিক স্বীকৃতির জন্য আবেদন দাখিল করেন। আবেদন দাখিলের পর সেটি যায় এ সংক্রান্ত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটিতে। ২৪-২৭ অক্টোবর ওই কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সব প্রক্রিয়ার সম্পন্ন শেষে আসে কাঙ্ক্ষিত ঘোষণা। সাধারণত আন্তর্জাতিক তাৎপর্য রয়েছে, এমন বিষয়গুলোকেই বিশ্ব আন্তর্জাতিক রেজিস্ট্রারের মেমোরিতে (মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার) তালিকাভুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ১৮ মিনিট স্থায়ী এ ভাষণটিকে অনুবাদ করা হয়েছে বহু ভাষায়। নিউজ উইক সাময়িকী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ হিসেবে অভিহিত করেছে। tns:Ai