তাড়াশে জামায়াত পরিবারের ৩জন চাকুরিজীবি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে

প্রকাশিত: ৯:১২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০
0Shares

মহসীন আলী,তাড়াশ প্রতিনিধি.
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে জামায়াত পরিবারের তিনজন চাকুরিজীবি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে চাকুরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সিরাজগঞ্জ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বরাবর সহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে জানা যায় উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামের আব্দুল গফুর মোল্লা ও তার ছেলে এম এ মাজেদ ও তার ছেলের স্ত্রী মান্জুয়ারা খাতুন ইসলামিক ফাউন্ডেশনে দীর্ঘ দিন যাবত চাকুরি করে আসছে। এলাকাবাসী জানান আব্দুল গফুর মোল্লা স্বাধীনতা বিরোধী কার্যক্রমে ওতোপ্রতভাবে জড়িত থেকে পাকিস্তানী শ্বাসকদের সহযোগীতা করেছে। দেশ স্বাধীনের পরেও নানা ভাবে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছে। মাঠে ঘাটে,হাট বাজারে,জনসম্মুখে সে সহ তার পরিবারের সবাই বিভিন্ন ভাবে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে । আর এমনটা করবে এটাই স্বাভাবিক কারণ গফুর মোল্লা জামায়াতের সুরার সাথী। তাই এই সুবাদে সাংগঠনিক সকল কর্মকান্ড পরিচালনায় সহযোগীতা করে আসছে। তার ছেলে এম এ মাজেদ ২০০১ সাল থেকে উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছে। এম এ মাজেদের নেতৃত্বে বহিরাগত ছাত্র শিবিরের নেতৃ বৃন্দদের নিয়ে তাড়াশ খাদ্য গুদামের পিছনে বসে সরকার পতনের পরিকল্পনা করতো। এখন ও তাদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই। মাজেদ ২০০৬ সালে ছাত্র শিবিরের সভাপতি থাকা অবস্থায় ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে উপজেলা মডেল কেয়ার টেকার পদে ও তার বাবা আব্দুল গফুর মোল্লাকে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সুকৌশলে হাত করে তার স্ত্রী মানজুয়ারা খাতুন কে শিক্ষিকা পদে চাকুরী দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন বিভিন্ন সময় আওয়ামীলীগ পন্থী শিক্ষকদের পরিকল্পনা মাফিক ষড়যন্ত্র করে চাকুরিচ্যুত করে। সে বড় পদে চাকুরি করে বলে অনেকেই কিছ ুনা বলে নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে। অনেক শিক্ষকের অভিযোগ আব্দুল মাজিদ মডেল কেয়ার হলেও স্থানীয় হওয়ায় সুপার ভাইজারকে কৌশলে অফিসের কোন কাজে ভূল পরামর্শ দিয়ে তাকে ফাঁসিয়ে শিক্ষকদের দ্বারা চাপ সৃষ্টি করে সুপার ভাইজার কে তার মত করে পরিচালনা করে। ফলে সে নিজেকে অফিসের বড় কর্মকর্তা হিসেবে ভাব দেখায়। সে তার বাবা ও স্ত্রীসহ তার মন মত কিছু শিক্ষককে অফিসিয়াল সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। এ ব্যপারে ইতিপুর্বে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।